বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৭ পূর্বাহ্ন

সরকারি জরুরি হটলাইন

সরকারি তথ্য ও সেবা-৩৩৩, জরুরি সেবা-৯৯৯, নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে-১০৯, দুদক-১০৬, দুর্যোগের আগাম বার্তা-১০৯০, শিশুর সহায়তায় ফোন-১০৯৮, ভূমির সেবা পেতে...অভিযোগ জানাতে-১৬১২২, ই-জিপি জরুরি হেল্পলাইন-১৬৫৭৫, নৌপরিবহনের হেল্পলাইন-১৬১১৩। তথ্য সুত্র : পিআইডি

সিরিয়ায় হামলার প্রতিবাদে পদক ছুড়লেন ব্রিটিশ যোদ্ধারা

সিরিয়ায় যুক্তরাজ্যের হামলার প্রতিবাদে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে নিজেদের অর্জিত পদক ছুড়ে ফেলেছেন কয়েকজন সাবেক ব্রিটিশ যোদ্ধা। আফগানিস্তান, ইরাক ও লিবিয়ার যুদ্ধে অসাধারণ কৃতিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁদের এসব পদক দেওয়া হয়েছিল।

সাবেক ব্রিটিশ যোদ্ধাদের সংগঠন ‘ভেটেরান ফর পিস’-এর বেশ কয়েক জন সদস্য গতকাল মঙ্গলবার স্থানীয় সময় বেলা একটার দিকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটের ফুটপাতে তাঁদের পদক ছুড়ে ফেলেন।

সাবেক এই ব্রিটিশ যোদ্ধারা বলছেন, যুদ্ধের বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে তাঁরা অনুধাবন করেছেন যে যুদ্ধ কোনো শান্তি আনতে পারে না। নতুন প্রজন্মের মধ্যে যুদ্ধের প্রতি সমর্থন এবং তাঁদের মধ্যে সৈনিকদের পদক জেতা নিয়ে যে নায়কোচিত ধারণা কাজ করে, তা ভুল প্রমাণ করাটাও ছিল এই পদক ছুড়ে ফেলার লক্ষ্য।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর যুক্তরাজ্য যত যুদ্ধে জড়িয়েছে, সব যুদ্ধে অংশ নিয়েছেন এমন সাবেক ব্রিটিশ যোদ্ধাদের সংগঠন ‘ভেটেরান ফর পিস’। স্বেচ্ছাসেবী এই সংগঠনের মূল উদ্দেশ্য তরুণ প্রজন্মকে সামরিক চাকরি ও যুদ্ধের বাস্তবতা সম্পর্কে শিক্ষা দেওয়া। একই সঙ্গে মানুষকে এটা বোঝানো যে, একবিংশ শতাব্দীতে যুদ্ধ কোনো সমস্যার সমাধান হতে পারে না।

‘ভেটেরান ফর পিস’ এর সমন্বয়ক বেন গ্রিফিন ইরাক, আফগানিস্তান, নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড এবং মেসিডোনিয়ায় যুদ্ধে কৃতিত্বের জন্য পদক পেয়েছিলেন। ব্রিটিশ বিশেষ বিমান শাখার সাবেক সৈন্য (স্পেশাল এয়ার সার্ভিসম্যান) গ্রিফিন কয়েক মাস আগে তাঁর পদক ময়লার ঝুড়িতে ফেলেছেন। গতকাল মঙ্গলবারের প্রতিবাদে তিনি এসেছিলেন আরেক ব্রিটিশ যোদ্ধার পদক ফেলতে, যিনি প্রতিবন্ধী হওয়ার কারণে আসতে পারেননি।

বেন গ্রিফিন ইংরেজি দৈনিক ইনডিপেনডেন্টকে বলেন, সিরিয়ায় হামলা আরও পরিবারকে ধ্বংস করবে। সেখানকার অবকাঠামো ধ্বংস করবে। এর ফলে শরণার্থীর সংখ্যা আরও বাড়বে। আরও বেশি মানুষ উগ্রবাদের দিকে ধাবিত হবে।

তাহলে জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটকে (আইএস) দমনের উপায় কী? এমন প্রশ্নে সাবেক এই ব্রিটিশ যোদ্ধা বলেন যে, ‘আইএসের সৃষ্টি কীভাবে হলো, আগে আমাদের তা দেখতে হবে। 

ইরাকে আমাদের হামলার কারণেই আইএসের জন্ম হয়েছে। এটা আমাদের স্বীকার করতে হবে। এ ছাড়া আমাদের বন্ধু রাষ্ট্রগুলোর প্রতিও আমাদের দৃষ্টি দিতে হবে। সৌদি আরব আইএসের একনিষ্ঠ সমর্থক, তারা আইএসকে তহবিলের জোগান দেয়। আবার তুরস্ক আইএসের কাছ থেকে তেল কেনে। যে কারণেই হোক, এমন অভিযোগ আমি বিশ্বাস করি। এতে আইএসকে নির্মূল করতে হলে এসব বিষয়ে নজর দেওয়াসহ আরও অনেক কিছু করার আছে। তিনি বলেন, যুদ্ধ কেবল পরিস্থিতিকে আরও মর্মান্তিক করে তুলবে।

সংবাদ শেয়ার করুন

সতর্ক বার্তা

আমরা নিজস্ব সংবাদ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো। বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বে-আইনি। -ইন্দোবাংলা টীম।

করোনাভাইরাস মোকাবিলায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ৩১ নির্দেশনা

© banglarmukhnews24.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২৬।
কারিগরি সহায়তায়: অল আইটি বিডি